অপারেটিং সিস্টেম কি এবং এর বহুবিধ কার্যাবলি সম্পর্কে ধারণা।

অপারেটিং সিস্টেম কি এবং এর বহুবিধ কার্যাবলি সম্পর্কে ধারণা।

এই আর্টিকেল এ আমরা জানব অপারেটিং সিস্টেম কি এবং কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম কি কি কাজ করে থাকে। 


অপারেটিং সিস্টেমঃ 

অপারেটিং সিস্টেম হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম বা একগুচ্ছ প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা কম্পিউটারের সকল ধরনের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও সম্পাদন করে। 

কম্পিউটারের সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার এর মধ্যে সমন্বয়সাধন করা অপারেটিং সিস্টেম এর প্রধান কাজ। অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার চালানো অসম্ভব। 


কম্পিউটারের মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম যেসকল কাজ করে থাকে সেগুলোর নিম্নরুপঃ 

ফাইল ম্যানেজমেন্টঃ 

১। সেকেন্ডারি স্টোরেজ এ ফাইলকে ম্যাপিং করা। 

২। ফাইল এবং ডিরেক্টরিকে Manipulate করার জন্য প্রিমিটিভ সাপোর্ট দেয়া। 

৩। কোনো ফাইলকে তৈরি করা এবং মুছে ফেলা। 

৪। ডিরেক্টরি গুলোকে তৈরি করা এবং মুছে ফেলা। 

৫। ব্যাকআপ ফাইল তৈরি করা। 

প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, অপারেটিং সিস্টেম এর জন্য নিম্নলিখিত কাজগুলো করে থাকেঃ 

১। বিভিন্ন প্রসেসের সাথে Communicate করা। 

২। প্রসেসগুলোর Synchronize করা। 

৩। ডেডলক হান্ডেল করা। 

৪। ইউজার প্রসেস তৈরি এবং ডিলেট করা। 

৫। সিস্টেম প্রসেস তৈরি এবং ডিলেট করা।  

৬। যেকোনো প্রসেসকে সাসপেন্ড করা আবার পুনরায় চালু করা। 

মেইন মেমোরি ম্যানেজমেন্টঃ 

১। মেমোরির কোন অংশ ব্যবহৃত হচ্ছে তার হিসাব রাখা। 

২। কোন প্রসেস মেমোরিতে কোন সময়ে লোড এবং রিলিজ হচ্ছে তা মেনেজ করা।  

৩। প্রধান মেমোরি ও অন্যান্য স্টোরেজকে সিস্টেম প্রোগ্রাম এবং ডাটা অংশে Allocate করা।

৪। প্রয়োজন অনুসারে মেমোরি Allocate এবং Deallocate করা। 

কমিউনিকেশন ম্যানেজমেন্টঃ 

১।  স্ট্যাটাস ইনফোরমেশন পাঠানো।

২। মেসেজ পাঠানো এবং রিসিভ করা। 

৩। যোগাযোগ তৈরি করা ও মুছে ফেলা।

৪। রিমোট ডিভাইসকে Attach এবং Deattach করা। 

I/O ম্যানেজমেন্টঃ 

১। বিভিন্ন ধরনের ইনপুট এবং অউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে সমন্বয়সাধন করা। 

২। ইনপুট ও অউটপুট ডিভাইসগুলোর মাধ্যমে একাধিক প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ ও সম্পাদন করা। 

৩। বাফারিং, কেসিং এবং স্পুলিং। 

উপরিউক্ত প্রধান কাজগুলো ছাড়াও অপারেটিং সিস্টেম আরও বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদন করে। যেমনঃ 

১। কম্পিউটারকে বুট করা এবং অপারেশন চালু করা। 

২। CPU কে বিভিন্ন কাজের জন্য Assign করা। 

৩। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য নির্ধারিত পাসওয়ার্ড ব্যবহারের সুবিধা। 

৪। অন্যান্য সিকিউরিটি এবং কন্ট্রোল এর ব্যবস্থা করা। 

৫। বিভিন্ন রিসোর্সকে Allocate করা। 

৬। হার্ডওয়্যার এর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা। 

৭। হার্ডওয়্যার এর বিভিন্ন ধরনের ভুল ত্রুটি থাকলে তা শনাক্ত করে সমাধানের ব্যবস্থা করা। 

৮। কমান্ড ও ইন্সট্রাকশনসমূহের অনুবাদ করা। 

৯। মেইন মেমোরিতে প্রোগ্রামকে লোড করা এবং পরিচালনা করা। 

১০। ডাটা এবং ফাইল স্টোরেজকে মেনেজ করা। 

১১। ধারাবাহিকভাবে ব্যাচ প্রসেসিং এর সুবিধা প্রদান করা। 

১২। GUI ব্যবস্থা করা।

১৩। মানুষ এবং কম্পিউটারের মধ্যে ইন্টার‌্যাকশন প্রদান করা। 

Post a Comment

Previous Post Next Post