WordPress ড্যাশবোর্ড সম্পর্কে আলোচনা।

WordPress ড্যাশবোর্ড সম্পর্কে আলোচনা।


এই আর্টিকেল এ আমরা WordPress ড্যাশবোর্ড সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করব। ড্যাশবোর্ড কি? ড্যাশবোর্ড দিয়ে কি কাজ করা যায়? ড্যাশবোর্ড এর বিভিন্ন উপাদান যেমনঃ পোস্ট, মিডিয়া, পেজ, কমেন্টস, টুলস, সেটিংস ইত্যাদি উপাদানের কাজ সম্পর্কে আলোচনা করব। 


ড্যাশবোর্ডঃ  

ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করার সময় ওয়েবসাইট নিয়ন্ত্রণের বা কার্যপরিচালনার টুলসমূহ যে প্যানেলে পাওয়া যায়, তাকেই ড্যাশবোর্ড বলে। এডমিন প্যানেলে লগইন করার পর সাধারণত ড্যাশবোর্ড দেখতে পাওয়া যায়। 

WordPress দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এমন কোনো ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড এ লগইন করার জন্য  ব্রাউজারের এড্রেস বারে গিয়ে ওয়েবসাইটের ঠিকানা/ wp-admin লিখতে হবে। উদাহরণঃ techcrunch.com/wp-admin । 

WordPress এর ড্যাশবোর্ড এ রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপাদান যেখান থেকে একটি ওয়েবসাইটের সমস্তকিছু খুব সহজেই কন্ট্রোল করা যায়। 


WordPress ড্যাশবোর্ড এর সাধারণ উপাদানগুলোর কাজঃ 

১। Post: Post অপশন এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে বা ব্লগে নতুন কোনো পোস্ট যুক্ত করা যায়, পূর্বের পোস্টগুলোকে এডিট করা যায় এবং যেকোনো পোস্টকে মুছে ফেলা যায়। 

পোস্টগুলোর জন্য ট্যাগ সংযোজন ও ক্যাটেগরি নির্বাচন করাও এর অন্তর্ভুক্ত। 

২। Media: সাধারণত ওয়েবসাইটে বা ব্লগে যেসব ছবি, অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন ফাইলসমূহ আপলোড করা হয় তা মিডিয়া মেনুতে সেগুলো লিস্ট আকারে জমা থাকে। 

মিডিয়া মেনুতে জমাকৃত ফাইলসমূহ প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যায়। আবার যদি কোনো মিডিয়ার প্রয়োজন না হয় তাহলে সেটি সেখান থেকে ডিলিটও করে দেয়া যায়। 

ছবি, অডিও, ভিডিও আপলোড করা এবং আপলোডকৃত ছবি, অডিও, ভিডিও প্রয়োজন অনুসারে পোস্টে ইন্সার্ট করার জন্য মিডিয়া মেনু ব্যবহার করা হয়ে থাকে।   

৩। Pages: একটি ওয়েবসাইট সাধারণত কতোগুলো পেজের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। ওয়েবসাইটের জন্য নতুন কোনো পেজ তৈরি করা, পাবলিশ করা, পূর্বের কোনো পেজকে পরিবর্তন করা অথবা মুছে ফেলা ইত্যাদি কাজ ড্যাশবোর্ড এর ড্যাশবোর্ড এর Pages অপশন থেকে করা হয়। 

৪। Comments: ব্লগ-ওয়েবসাইটগুলোতে যেকোনো পোস্টে ব্যবহারকারীগণ কমেন্ট করতে পারে, সেই কমেন্টগুলোকে এনাবল বা এপ্রুভ করা, স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করা, এডিট বা ডিলিট করার প্রয়োজন হয় যা Comments অপশন থেকে করা হয়ে থাকে। 

৫। Appearance: ওয়েবসাইটের থিম/টেমপ্লেট, প্লাগিন সংযোজন, পরিবর্তন করার প্রয়োজন হতে পারে যা Appearance মেনু থেকে করা হয়। 

তাছাড়া, মেনু সংযোজন, এডিট বা ডিলিট করার প্রয়োজন হয় যা Appearance মেনু এর সাবমেনু থেকে করা যায়। 

৬। Plugins: ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য, নিরাপত্তা বৃদ্ধিসহ যেকোনো অতিরিক্ত সুবিধা যুক্ত করার জন্য নতুন নতুন প্লাগিন ইনস্টল করার প্রয়োজন হয়। 

Plugins অপশন থেকে নতুন নতুন প্লাগিন সার্চ করা, ইনস্টল করা, তার ফিচারসমূহ দেখা, এডিট ইত্যাদি কাজ করা হয়ে থাকে। 

৭। Users: ব্লগ সাইটগুলোকে যে কেউ পোস্ট দিতে পারেনা। কোনো ব্যবহারকারী পোস্ট দেয়ার জন্য তাকে প্রথমে সেই ওয়েবসাইটের এডমিন কর্তৃক মনোনীত হতে হয়। 

সেজন্য বিভিন্ন ইউজার তৈরি, তাদের প্রোফাইল তৈরি করা, কোনো ইউজারকে মুছে ফেলা এবং ইউজারদের পারমিশন সেট করা ইত্যাদি কাজ এই Users অপশন থেকে করা হয়ে থাকে।   

৮। Tools: একটি ওয়েবসাইটের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ইমপোর্ট, এক্সপোর্ট, আপগ্রেডসহ আরও অনেক টুলস আছে, যা ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের কার্যক্ষমতা বাড়ানো যায়। 

যেমনঃ একটি ব্লগ সাইটের কোনো ইউজারের পোস্ট, কমেন্ট ইত্যাদি ইমপোর্ট করে অন্য সাইটে ব্যবহার করা যায়। 

৯। Settings: কোনো ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইটকে কাস্টমাইজ করতে, পারমালিঙ্ক পরিবর্তন করতে, ব্লগের বিভিন্ন তথ্য কনফিগার করতে, পোস্টের লেখার পরিমাণ ঠিক করতে ও কমেন্টস কনফিগার করতে এই মেনু ব্যবহৃত হয়। 

Post a Comment

Previous Post Next Post