বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক সার্ভার সম্পর্কে ধারণা।

যেকোনো নেটওয়ার্কের জন্য সার্ভার একটি গুরুত্তপূর্ণ বিষয়। সার্ভারকে ইন্টারনেটের প্রাণ বলা যেতে পারে। সার্ভার যদি ঠিক ঠাক মতো সার্ভিস না দিতে পারে তাহলে পুরো ইন্টারনেটই অর্থহীন হয়ে যাবে। কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটের জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এ ধরনের কিছু সার্ভারের বর্ণনা নিচে দেওয়া হলোঃ   অ্যাপ্লিকেশান সার্ভারঃ   অ্যাপ্লিকেশান সার্ভার মূল প্রোগ্রামটি তার শক্তিশালী মেশিনে চালিয়ে দেয় এবং ক্লায়েন্ট পিসির চাহিদা অনুযায়ী ডেটা প্রসেস করে ফলাফল পুনরায় ক্লায়েন্টের কাছে ফেরত পাঠায়। এতে ক্লায়েন্ট পিসির বোঝা অনেকখানি হালকা হয়ে যায়। মনে করুন, একটি অ্যাপ্লিকেশান সার্ভারে মাইক্রোসফট SQL সার্ভার নামক প্রোগ্রামটি চালু অবস্থায় আছে।   এ সময় যদি কোনো ক্লায়েন্ট পিসি ডেটাবেজ থেকে কোনো বিশেষ রেকর্ড খুঁজে বের করার কমান্ড পাঠায় তাহলে সিকুয়েন্স সার্ভার পুরো ডেটাবেজ ঘেঁটে ঐ কাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি খুঁজে বের করে তার ফলাফল ক্লায়েন্ট পিসিকে মুহুর্তের মধ্যে জানিয়ে দিবে। এছাড়া অ্যাপ্লিকেশান সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে কোনো কোম্পানি তার সফটওয়্যার লাইসেন্সিং খরচও কমাতে পারে।   ডেটাবেজ সার্ভারঃ   নেটওয়ার্কে ডেটাবেজ সার্ভার অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রকৃতির পিসি বা ওয়ার্কস্টেশনকে শক্তিশালী ডেটাবেজ ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। অধিকাংশ ডেটাবেজ সিস্টেমই ক্লায়েন্ট-সার্ভার ভিত্তিক। ক্লায়েন্ট-সার্ভার ডেটাবেজ বলতে যা বুঝানো হয় তা হলো ডেটাবেজের দুটো অংশ বা কম্পোনেন্ট থাকবে। এর একটি অংশ রান করবে ক্লায়েন্ট পিসিতে এবং অন্যটি রান করবে সার্ভারে।  ১। ক্লায়েন্ট সার্ভার ডেটাবেজের ক্লায়েন্ট অংশটি পিসিতে রান করবে এ বিষয়টি একটু আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। মূলত ক্লায়েন্ট পিসিতে ডেটাবেজের একটি ইন্টারফেস তৈরি হয় এবং অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী ফাংশনগুলো এখানে কাজ করে।   ২। ডেটাবেজ অপারেশনের ভারী ফাংশন বা কাজগুলো সম্পন্ন হয় সার্ভার প্রাণতে। ডেটাবেজের সার্ভার অংশে মূলত যে কাজগুলো সম্পন্ন হয় তা হলো - ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট বা ব্যবস্থাপনা, ইউজার বা ক্লায়েন্টদের পক্ষ থেকে আসা বিভিন্ন কোয়েরি বা প্রশ্ন প্রসেস করা এবং প্রশ্নকারী ক্লায়েন্টকে এর উত্তর পাঠানো ইত্যাদি।   এর বাইরে আরও কতিপয় গুরুত্তপূর্ণ সার্ভিস প্রদানের জন্য ডেটাবেজ সার্ভার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। উল্লেখযোগ্য সার্ভিসগুলোর মধ্যে আছে ডেটা সিকিউরিটি প্রদান করা, ডেটাবেজ অপটিমাইজেশন অর্থাৎ ক্লায়েন্টদের চাহিদা মোতাবেক ডিজাইন করা, ডেটা বিতরণ বা ডিস্ট্রিবিউশন ইত্যাদি।   এখানে একটি বিষয়ে বলে রাখা ভাল যে একটি মাত্র সার্ভার উপরোক্ত পাঁচটি অর্থাৎ ফাইল, প্রিন্ট, অ্যাপ্লিকেশান, মেসেজ এবং ডেটাবেজ সার্ভার হিসেবে একি সময়ে কাজ করতে পারে। তবে নেটওয়ার্কের সর্বোত্তম দক্ষতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এক একটি সার্ভিসের জন্য পৃথক পৃথক সার্ভার ব্যবহারই শ্রেয়তর। এ ধরনের সার্ভারকে বলা হয় ডেডিকেটেড বলা হয় সার্ভার। তবে ইন্টারনেটের জন্য বহুল ব্যবহৃত সার্ভার হচ্ছে ই-মেইল সার্ভার বা মেইল সার্ভার এবং ওয়েব সার্ভার।    ই-মেইল সার্ভারঃ   প্রাথমিক পর্যায়ের ই-মেইল সার্ভার প্রোটকল হচ্ছে পোস্ট অফিস প্রোটকল বা পপ। এছাড়া ই-মেইল সার্ভার ভিন্ন ই-মেইল সিস্টেম থেকে প্রাপ্ত মেসেজ এবং মেইল রূপান্তর বা কনভার্ট করার জন্য গেইটওয়ে হিসেবে কাজ করে।   ধরুন, আপনার সিস্টেমে ব্যবহার করছেন এমএইচএস প্রোটকল কিন্তু আপনি যার কাছ থেকে ই-মেইল পেয়েছেন তিনই ব্যবহার করছেন এসএমটিপি অথবা আপনি ব্যবহার করছেন এক্স.400 মেইল সিস্টেম কিন্তু সংযুক্ত হতে চাচ্ছেন নভেল নেটওয়ার্কের এমএইচএস মেইল সিস্টেমের সিস্টেমের সাথে।   এ ধরনের ক্ষেত্রে এক সিস্টেম বা প্রোটকলের মেইলকে অন্য সিস্টেমে রূপান্তর করতে হয়। আর এই রূপান্তরের কাজটি করে থাকে একটি ডেডিকেটেড কম্পিউটার যা গেইটওয়ে নামে পরিচিত।   মেজেস সার্ভারঃ   ফাইল সার্ভিসের মাধ্যমে ডেটা শুধুমাত্র ফাইলের আকারে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে চলাচল করে। কিন্তু মেসেজ সার্ভিসের সাহায্যে ডেটা গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও, টেক্সট এবং বাইনারী আকারে নেটওয়ার্কে চলাচল করতে সক্ষম। বর্তমানে এ  কারণে মেসেজ সার্ভিস নেটওয়ার্কের মধ্য দিয়ে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। মেসেজ সার্ভিসকে ইউজার, ডকুমেন্ট এবং অ্যাপ্লিকেশানসমূহের মধ্যে জটিল প্রকৃতির ইন্টার‌্যাকশনের সমন্বয় সাধন করতে হয়। মেসেজ সার্ভিস মূলত ৪ টি শ্রেণিতে বিভক্ত। এগুলো হচ্ছেঃ   ১। ওয়ার্কগ্রুপ অ্যাপ্লিকেশান  ২। ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল  ৩। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড অ্যাপ্লিকেশান  ৪। ডাইরেক্টরি সার্ভিসেস   ফাইল সার্ভারঃ   এ ধরনের সার্ভার ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বা ক্লায়েন্টদের ফাইল সেয়ায়র বা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। এছাড়া ফাইল সার্ভার ডেটা বা ফাইল সংরক্ষণ, উত্তোলন এবং এক পিসি থেকে অন্য পিসিতে স্থানান্তরের কাজটি করে থাকে। সাধারণত ফাইল সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসির জন্য কোন প্রকার ডেটা প্রসেসিং এর কাজ করে না।   ওয়েব সার্ভারঃ   ওয়েব পেইজ বা ওয়েবসাইট যে সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে তাকে বলা হয় ওয়েবসার্ভার। আমরা ব্রাউজারের সাহায্যে এসব পেইজ বা সাইট ওয়েব সার্ভার থেকে পর্দায় নিয়ে আসি।   ইন্টারনেটের আওতায় এইচটিটিপি সম্বলিত সকল ওয়েব সার্ভারের সম্মিলিত নামই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ব্যবহারকারীরা টেক্সট এবং গ্রাফিক্সকে হাইপারলিঙ্ক করে এক সার্ভার থেকে খুব সহজে অন্য সার্ভারে বিচরণ করতে পারে।

যেকোনো নেটওয়ার্কের জন্য সার্ভার একটি গুরুত্তপূর্ণ বিষয়। সার্ভারকে ইন্টারনেটের প্রাণ বলা যেতে পারে। সার্ভার যদি ঠিক ঠাক মতো সার্ভিস না দিতে পারে তাহলে পুরো ইন্টারনেটই অর্থহীন হয়ে যাবে। 

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটের জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এ ধরনের কিছু সার্ভারের বর্ণনা নিচে দেওয়া হলোঃ 

অ্যাপ্লিকেশান সার্ভারঃ 

অ্যাপ্লিকেশান সার্ভার মূল প্রোগ্রামটি তার শক্তিশালী মেশিনে চালিয়ে দেয় এবং ক্লায়েন্ট পিসির চাহিদা অনুযায়ী ডেটা প্রসেস করে ফলাফল পুনরায় ক্লায়েন্টের কাছে ফেরত পাঠায়। 

এতে ক্লায়েন্ট পিসির বোঝা অনেকখানি হালকা হয়ে যায়। মনে করুন, একটি অ্যাপ্লিকেশান সার্ভারে মাইক্রোসফট SQL সার্ভার নামক প্রোগ্রামটি চালু অবস্থায় আছে। 

এ সময় যদি কোনো ক্লায়েন্ট পিসি ডেটাবেজ থেকে কোনো বিশেষ রেকর্ড খুঁজে বের করার কমান্ড পাঠায় তাহলে সিকুয়েন্স সার্ভার পুরো ডেটাবেজ ঘেঁটে ঐ কাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি খুঁজে বের করে তার ফলাফল ক্লায়েন্ট পিসিকে মুহুর্তের মধ্যে জানিয়ে দিবে। 

ডেটাবেজ সার্ভারঃ 

নেটওয়ার্কে ডেটাবেজ সার্ভার অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রকৃতির পিসি বা ওয়ার্কস্টেশনকে শক্তিশালী ডেটাবেজ ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। অধিকাংশ ডেটাবেজ সিস্টেমই ক্লায়েন্ট-সার্ভার ভিত্তিক। 

ক্লায়েন্ট-সার্ভার ডেটাবেজ বলতে যা বুঝানো হয় তা হলো ডেটাবেজের দুটো অংশ বা কম্পোনেন্ট থাকবে। এর একটি অংশ রান করবে ক্লায়েন্ট পিসিতে এবং অন্যটি রান করবে সার্ভারে।

১। ক্লায়েন্ট সার্ভার ডেটাবেজের ক্লায়েন্ট অংশটি পিসিতে রান করবে এ বিষয়টি একটু আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। মূলত ক্লায়েন্ট পিসিতে ডেটাবেজের একটি ইন্টারফেস তৈরি হয় এবং অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী ফাংশনগুলো এখানে কাজ করে। 

২। ডেটাবেজ অপারেশনের ভারী ফাংশন বা কাজগুলো সম্পন্ন হয় সার্ভার প্রাণতে। ডেটাবেজের সার্ভার অংশে মূলত যে কাজগুলো সম্পন্ন হয় তা হলো - ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট বা ব্যবস্থাপনা, ইউজার বা ক্লায়েন্টদের পক্ষ থেকে আসা বিভিন্ন কোয়েরি বা প্রশ্ন প্রসেস করা এবং প্রশ্নকারী ক্লায়েন্টকে এর উত্তর পাঠানো ইত্যাদি। 

এর বাইরে আরও কতিপয় গুরুত্তপূর্ণ সার্ভিস প্রদানের জন্য ডেটাবেজ সার্ভার দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। উল্লেখযোগ্য সার্ভিসগুলোর মধ্যে আছে ডেটা সিকিউরিটি প্রদান করা, ডেটাবেজ অপটিমাইজেশন অর্থাৎ ক্লায়েন্টদের চাহিদা মোতাবেক ডিজাইন করা, ডেটা বিতরণ বা ডিস্ট্রিবিউশন ইত্যাদি।

এখানে একটি বিষয়ে বলে রাখা ভাল যে একটি মাত্র সার্ভার উপরোক্ত পাঁচটি অর্থাৎ ফাইল, প্রিন্ট, অ্যাপ্লিকেশান, মেসেজ এবং ডেটাবেজ সার্ভার হিসেবে একি সময়ে কাজ করতে পারে। 

তবে নেটওয়ার্কের সর্বোত্তম দক্ষতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এক একটি সার্ভিসের জন্য পৃথক পৃথক সার্ভার ব্যবহারই শ্রেয়তর। 

এ ধরনের সার্ভারকে বলা হয় ডেডিকেটেড বলা হয় সার্ভার। তবে ইন্টারনেটের জন্য বহুল ব্যবহৃত সার্ভার হচ্ছে ই-মেইল সার্ভার বা মেইল সার্ভার এবং ওয়েব সার্ভার। 

ই-মেইল সার্ভারঃ 

প্রাথমিক পর্যায়ের ই-মেইল সার্ভার প্রোটকল হচ্ছে পোস্ট অফিস প্রোটকল বা পপ। এছাড়া ই-মেইল সার্ভার ভিন্ন ই-মেইল সিস্টেম থেকে প্রাপ্ত মেসেজ এবং মেইল রূপান্তর বা কনভার্ট করার জন্য গেইটওয়ে হিসেবে কাজ করে। 

ধরুন, আপনার সিস্টেমে ব্যবহার করছেন এমএইচএস প্রোটকল কিন্তু আপনি যার কাছ থেকে ই-মেইল পেয়েছেন তিনই ব্যবহার করছেন এসএমটিপি অথবা আপনি ব্যবহার করছেন এক্স.400 মেইল সিস্টেম কিন্তু সংযুক্ত হতে চাচ্ছেন নভেল নেটওয়ার্কের এমএইচএস মেইল সিস্টেমের সিস্টেমের সাথে। 

এ ধরনের ক্ষেত্রে এক সিস্টেম বা প্রোটকলের মেইলকে অন্য সিস্টেমে রূপান্তর করতে হয়। আর এই রূপান্তরের কাজটি করে থাকে একটি ডেডিকেটেড কম্পিউটার যা গেইটওয়ে নামে পরিচিত। 

মেজেস সার্ভারঃ 

ফাইল সার্ভিসের মাধ্যমে ডেটা শুধুমাত্র ফাইলের আকারে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে চলাচল করে। কিন্তু মেসেজ সার্ভিসের সাহায্যে ডেটা গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও, টেক্সট এবং বাইনারী আকারে নেটওয়ার্কে চলাচল করতে সক্ষম। 

বর্তমানে এ  কারণে মেসেজ সার্ভিস নেটওয়ার্কের মধ্য দিয়ে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। মেসেজ সার্ভিসকে ইউজার, ডকুমেন্ট এবং অ্যাপ্লিকেশানসমূহের মধ্যে জটিল প্রকৃতির ইন্টার‌্যাকশনের সমন্বয় সাধন করতে হয়। মেসেজ সার্ভিস মূলত ৪ টি শ্রেণিতে বিভক্ত। এগুলো হচ্ছেঃ 

১। ওয়ার্কগ্রুপ অ্যাপ্লিকেশান 

২। ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল 

৩। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড অ্যাপ্লিকেশান 

৪। ডাইরেক্টরি সার্ভিসেস 

ফাইল সার্ভারঃ 

এ ধরনের সার্ভার ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বা ক্লায়েন্টদের ফাইল শেয়ার বা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। 

এছাড়া ফাইল সার্ভার ডেটা বা ফাইল সংরক্ষণ, উত্তোলন এবং এক পিসি থেকে অন্য পিসিতে স্থানান্তরের কাজটি করে থাকে। সাধারণত ফাইল সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসির জন্য কোনো প্রকার ডেটা প্রসেসিং এর কাজ করে না। 

ওয়েব সার্ভারঃ 

ওয়েব পেইজ বা ওয়েবসাইট যে সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে তাকে বলা হয় ওয়েবসার্ভার। আমরা ব্রাউজারের সাহায্যে এসব পেইজ বা সাইট ওয়েব সার্ভার থেকে পর্দায় নিয়ে আসি। 

ইন্টারনেটের আওতায় এইচটিটিপি সম্বলিত সকল ওয়েব সার্ভারের সম্মিলিত নামই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ব্যবহারকারীরা টেক্সট এবং গ্রাফিক্সকে হাইপারলিঙ্ক করে এক সার্ভার থেকে খুব সহজে অন্য সার্ভারে বিচরণ করতে পারে। 

1 Comments

  1. ভাই পোস্টটি ভালো হৈছে ভালো লাগলো পড়ে,,, ধন্যবাদ ভাই এইরকম পোস্ট দেওয়ার জন্য

    ReplyDelete
Previous Post Next Post